১৪। সূরা ইবরহীম

 চাঁদ (কমার) শব্দটি আল কুরআনে এসেছে ২৭ বার (৬ঃ৭৭, ৬ঃ৯৬, ৭ঃ৫৪, ১০ঃ৫, ১২ঃ৪, ১৩ঃ২, ১৪ঃ৩৩, ১৬ঃ১২, ২১ঃ৩৩, ২২ঃ১৮, ২৫ঃ৬১, ২৯ঃ৬১, ৩১ঃ২৯,৩৫ঃ১৩, ৩৬ঃ৩৯, ৩৬ঃ৪০, ৩৯ঃ৫, ৪১ঃ৩৭, ৫৪ঃ১, ৫৫ঃ৫, ৭১ঃ১৬, ৭৪ঃ৩২, ৭৫ঃ৮, ৭৫ঃ৯, ৮৪ঃ১৮, ৯১ঃ২)। 


অবাক করা বিষয় হল চাঁদ পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করতে ২৭ দিন সময় লাগে। তবে এই সময়ে পৃথিবী আবার সূর্যকে কেন্দ্র করে ২ দিন এগিয়ে যায়। এজন্য চাঁদকে আরও দুদিন বেশি ঘুরতে হয় এজন্য চন্দ্র মাস ২৯ দিনে হয়। 

হযরত ইবরাহীম (আঃ) এর ২ বারের ২ দোয়াঃ  

 ১। “হে আমার রব! এই স্থানকে নিরাপত্তার শহর পরিণত করো”। Ya Rabb, Make this a peaceful city    (সূরা আল বাকারা আয়াত ১২৬)    

২। “হে আমার রব! এ শহরকে নিরাপত্তার শহরে পরিণত করো” Ya Rabb, Make this city peaceful. (সূরা ইবরাহীম আয়াত ৩৫)     

প্রথমে যখন তিনি গিয়েছিলেন তখন সেখানে কোন জনবসতি ছিলো না মরুভুমি ছিলো।  তখন তিনি দোয়া করেছেন (সূরা বাকারায়) ঐ স্থানকে নিরাপত্তার শহরে পরিণত করার  জন্য। পরের বার যখন তিনি দোয়া করেছেন তখন ইতিমধ্যে ওখানে জনবসতি গড়ে উঠছে  তাই তাঁর দোয়াও (সূরা ইবরাহীমে) পরিবর্তিত হয়ে গেছে। তিনি তখন ঐ বিদ্যমান  শহরকে নিরাপত্তা দানের জন্য দোয়া করেছেন। দোয়ার শব্দে সামান্য পার্থক্য  থাকলেও অর্থ আলাদা। কত নিখুত তাঁর দোয়া!!! আল্লাহু আকবার!!! প্রথমে যখন তিনি গিয়েছিলেন তখন সেখানে কোন জনবসতি ছিলো না, মরুভুমি ছিলো।  তখন তিনি দোয়া করেছেন (সূরা বাকারায়) ঐ স্থানকে নিরাপত্তার শহরে পরিণত করার  জন্য। পরের বার যখন তিনি দোয়া করেছেন তখন ইতিমধ্যে ওখানে জনবসতি গড়ে উঠছে;  তাই তাঁর দোয়াও (সূরা ইবরাহীমে) পরিবর্তিত হয়ে গেছে। তিনি তখন ঐ স্থানকে  আর শুধু স্থান বলেননি বরং বিদ্যমান শহর হিসাবে বর্ননা করে ঐ শহরকে  নিরাপত্তা দানের জন্য দোয়া করেছেন। দোয়ার শব্দে সামান্য পার্থক্য থাকলেও  অর্থ আলাদা। কত নিখুত তাঁর দোয়া!!! আল্লাহু আকবার!!!   

সূরার ৪০-৪১ আয়াতে রব্বানা শব্দটি এসেছে। ‘রব্বি’ ও ‘রব্বানা’ শব্দটি মূলত দুটি করে শব্দ। ‘ইয়া রব্বি’ ও ‘ইয়া রব্বানা’। কিন্তু ‘ইয়া’ বা ‘হে’ শব্দটি আল্লাহর ক্ষেত্রে বিলুপ্ত করে ব্যবহার করা হয়। আল্লাহ  আমাদের খুবই কাছের, আপন বিধায় দূরবর্তি সংক্রান্ত শব্দ ‘হে’ বাদ দিয়ে শুধু রব্বি বা রব্বানা বলা হয়। সুবহানাল্লহ!

৪৯-৫০ নং আয়াতে জাহান্নামের কিছু বর্ননা দেয়া হয়েছে। এর একটা কল্পিত প্রতিকী চিত্র আঁকার  চেষ্টা করা হয়েছে।

এছাড়াও কুরআনের আরো কিছু সূরার আয়াতের সাহায্যে জাহান্নামের আরো কিছু আযাবের চিত্র এখানে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।  

আল কুরআনের আলোকে ২ ধরনের বাতাসের পার্থক্যঃ  বহুবচনের বাতাস ‘রিয়াহ’  এই বাতাস নিয়ামত হিসাবে আসে। হেলেদুলে প্রবাহিত হয়, কখনও এদিক থেকে কখনও  ওদিক থেকে বিক্ষিপ্তাকারে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বইতে থাকে; কেমন যেন সেখানে অনেকগুলো বাতাস থাকে । এমন উদাহরন আছে বিভিন্ন সূরা ও আয়াতে। যেমনঃ ২:১৬৪, ৭:৫৭, ১৫:২২, ১৮:৪৫, ২৫:৪৮, ২৭:৬৩, ৩০:৪৬, ৩৫:০৯, ৪৫:০৫

অপরদিকে এক বচনের বাতাস ‘রীহ’। এই বাতাস আযাব হিসাবে আসে। বজ্রকঠিন ও একে অন্যের সাথে লাগোয়া। অনেক বেশি জমাটবাঁধা, ঘনীভূত ও সঙ্ঘত; কেমন যেন একটাই মাত্র তাবাস থাকে। এমন উদাহরন আছে বিভিন্ন সূরা ও আয়াতে। যেমনঃ  ৩:১১৭, ১৪:১৮, ১৭:৬৯, ২২:৩১, ৩০:৫১, ৩৩:৯, ৪২:৩৩, ৪৬:২৪ সাধারনভাবে একবচন ও বহুবচন নেকই ধরনের অর্থ প্রকাশ করলেও আল কুরআন এখানে বহুবচনে নিয়ামত ও একবচনে আযাব প্রকাশ করেছে।    




উপরের নোটের কিছু অংশ উস্তাদ নোমান আলী খান এর বিভিন্ন লেকচার এবং ইন্টারনেট থেকে কিছু ভিডিও, ছবি থেকে অনুপ্রানীত হয়ে সম্পাদনা করে গ্রহণ করা হয়েছে। কুরআন সম্পর্কে 
উস্তাদের দারুন বই কিনতে পারেন এই লিঙ্ক থেকেঃ রিভাইভ ইয়োর হার্ট ডিভাইন স্পিচ

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সূরাসমূহের নোট

১৮। সূরা আল কাহাফ (গুহা)

১। সূরা আল ফাতিহা (সূচনা)