পোস্টগুলি

আগস্ট, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

৬০। সূরা মুমতাহানাহ

ছবি
যারা ঈমান এনেছে (আল্লাযী-না আ-মানু) ও যারা মুমিন (মু’মিনূ-ন) তাদের মধ্যে কিছু পার্থক্য রয়েছে। যারা ঈমান এনেছে শব্দগুলো ক্রিয়া/কাজ এর সাথে সম্পর্কযুক্ত এবং মুমিন শব্দটি বিশেষ্য এর সাথে সম্পর্কযুক্ত। সাধারনত ক্রিয়া পরিবর্তনশীল ও অস্থায়ী এবং বিশেষ্য সাধারনত গুনবাচক ও স্থায়ী হয়, অস্তিত্বের সাথে মিশে যায় এমন।  এই সূরার শুরুই হয়েছে ইয়া আয়্যু হাল্লাযী-না আ-মানু দিয়ে।  যারা ঈমান এনেছে বলতে সেই সব মানুষদের বোঝায় যারা মুখে ঈমান এনে ইসলামে প্রবেশ করেছে কিন্তু অন্তরে ঈমান এখনও পুরাপুরি গেঁথে যায় নাই। অপরদিকে মুমিন বলতে সেই সব মানুষদের বোঝায় যারা মুখে ও অন্তরে ঈমান রাখে এবং স্থায়ী ও দৃঢ় ভাবে তাতে প্রতিষ্ঠিত থাকে।  আল্লাহ ৪ ধরনের মানুষদের ৪ ভাবে চিত্রায়িত করেছেন; ও হে যারা ঈমান এনেছ, মুমিন, ও হে যারা কুফরী করেছ, ও হে যারা কাফির। মুমিনদের একান্ত নৈকট্য ও যারা ঈমান এনেছে তাদের ক্ষেত্রে কিছুটা দূরত্ব রাখলেও যারা কুফরী করেছে ও কাফির উভয়ের ক্ষেত্রেই আল্লাহ দূরত্বসূচক শব্দ ইয়া (ও হে) ব্যবহার করেছেন  আল কুর আনের সূরা গুলোর আয়াত ও ক্রম নিয়ে দারুন একটি বিশ্লেষণ। অবাক করার মত। আমরা জানি, আল...

৭৭। সূরা মুরসালাত

ছবি
 যখন নক্ষত্ররাজির আলো বিলুপ্ত হবে। ৭৭ নং সূরা মুরসালাত, আয়াত ৮     বিজ্ঞানের গবেষণায় দেখা যায় যে যখন নক্ষত্র/তারকারাজির নির্দিষ্ট মেয়াদ আছে, এরপর আলোহীন হয়ে যায়, হারিয়ে যায়, যাচ্ছে এবং যাবে; যা এই আয়াতের সত্যতা বুঝতে সহায়তা করে।  আল কুর আনের সূরা গুলোর আয়াত ও ক্রম নিয়ে দারুন একটি বিশ্লেষণ। অবাক করার মত। আমরা জানি, আল কুরআনের মোট সূরা সংখ্যা ১১৪ টি। এর মধ্যে আয়াত সংখ্যা জোড় এমন সূরা ৫৪ টি, অন্যদিকে আয়াত সংখ্যা বিজোড় এমন সূরা ৬০ টি। আয়াত সংখ্যা জোড় এমন সূরা ৫৪ টির মধ্যে ক্রম জোড় এমন সূরা ১৭ টি এবং ক্রম বিজোড় এমন সূরার সংখ্যাও সমান ১৭ টি।  অন্যদিকে আয়াত সংখ্যা বিজোড় এমন সূরা ৬০ টির মধ্যে ক্রম জোড় এমন সূরা ৩০ টি এবং ক্রম বিজোড় এমন সূরার সংখ্যাও ৩০ টি।  আবার, আয়াত সংখ্যা জোড়+ক্রম জোড়, আয়াত সংখ্যা বিজোড়+ ক্রম বিজোড় এগুলোকে সমজাতীয় বলা হলে এমন সমজাতীয় সূরার সংখ্যা ৫৭ টি, অন্যদিকে আয়াত সংখ্যা জোড়+ক্রম বিজোড়, আয়াত সংখ্যা বিজোড়+ ক্রম জোড় এগুলোকে অসমজাতীয় বলা হলে এমন অসমজাতীয় সূরার সংখ্যাও ৫৭ টি।  এখানেই শেষ নয়, আয়াত সংখ্যা+ক্রম এটা যোগ করলে যোগফল জোড় এমন সূ...

৫৮। সূরা আল মুজাদিলা

ছবি
যা আকাশে আছে আর যা যমীনে আছে আল্লাহ সব জানেন। ৩ জনের গোপন পরামর্শে আল্লাহ থাকেন ৪র্থ সত্তা হিসাবে ৫ জনের সাথে থাকেন একইভাবে ৬ষ্ঠ হিসাবে; এভাবে কম বা বেশি যত মানুষই যেখানেই গোপনে পরামর্শ করুক না কেন আল্লাহ সাথে থাকেন। এবং তিনি কিয়ামতের দীন গোপন সব কিছু জানিয়ে দিবেন। ৫৮ নং সূরা আল মুজাদিলা, আয়াত ৭     আল কুর আনের সূরা গুলোর আয়াত ও ক্রম নিয়ে দারুন একটি বিশ্লেষণ। অবাক করার মত। আমরা জানি, আল কুরআনের মোট সূরা সংখ্যা ১১৪ টি। এর মধ্যে আয়াত সংখ্যা জোড় এমন সূরা ৫৪ টি, অন্যদিকে আয়াত সংখ্যা বিজোড় এমন সূরা ৬০ টি। আয়াত সংখ্যা জোড় এমন সূরা ৫৪ টির মধ্যে ক্রম জোড় এমন সূরা ১৭ টি এবং ক্রম বিজোড় এমন সূরার সংখ্যাও সমান ১৭ টি।  অন্যদিকে আয়াত সংখ্যা বিজোড় এমন সূরা ৬০ টির মধ্যে ক্রম জোড় এমন সূরা ৩০ টি এবং ক্রম বিজোড় এমন সূরার সংখ্যাও ৩০ টি।  আবার, আয়াত সংখ্যা জোড়+ক্রম জোড়, আয়াত সংখ্যা বিজোড়+ ক্রম বিজোড় এগুলোকে সমজাতীয় বলা হলে এমন সমজাতীয় সূরার সংখ্যা ৫৭ টি, অন্যদিকে আয়াত সংখ্যা জোড়+ক্রম বিজোড়, আয়াত সংখ্যা বিজোড়+ ক্রম জোড় এগুলোকে অসমজাতীয় বলা হলে এমন অসমজাতীয় সূরার সংখ্যাও ৫৭ টি।  ...

৭০। সূরা মায়ারিজ

ছবি
ফেরেশতা এবং রূহ (অর্থাৎ জিবরীল) আল্লাহর দিকে আরোহণ করে এমন এক দিনে, যার পরিমাণ পঞ্চাশ হাজার বছর। ৭০ তম সূরা মায়ারিজ, আয়াত ৪ আল কুরআনের এই আয়াতে আধুনিক বিজ্ঞানের আবিষ্কার আপেক্ষিকতা তত্ত্বের সময়ের প্রসারণ বা টাইম ডাইলেশন এর ইঙ্গিত পাওয়া যায়। ভিন্ন স্থান ও বেগে অবস্থিত দুটি পর্যায় থেকে পরিমাপকৃত অতিক্রান্ত সময়ের পার্থক্যকে এর দ্বারা প্রকাশ করা হয়ে থাকে।  আল কুর আনের সূরা গুলোর আয়াত ও ক্রম নিয়ে দারুন একটি বিশ্লেষণ। অবাক করার মত। আমরা জানি, আল কুরআনের মোট সূরা সংখ্যা ১১৪ টি। এর মধ্যে আয়াত সংখ্যা জোড় এমন সূরা ৫৪ টি, অন্যদিকে আয়াত সংখ্যা বিজোড় এমন সূরা ৬০ টি। আয়াত সংখ্যা জোড় এমন সূরা ৫৪ টির মধ্যে ক্রম জোড় এমন সূরা ১৭ টি এবং ক্রম বিজোড় এমন সূরার সংখ্যাও সমান ১৭ টি।  অন্যদিকে আয়াত সংখ্যা বিজোড় এমন সূরা ৬০ টির মধ্যে ক্রম জোড় এমন সূরা ৩০ টি এবং ক্রম বিজোড় এমন সূরার সংখ্যাও ৩০ টি।  আবার, আয়াত সংখ্যা জোড়+ক্রম জোড়, আয়াত সংখ্যা বিজোড়+ ক্রম বিজোড় এগুলোকে সমজাতীয় বলা হলে এমন সমজাতীয় সূরার সংখ্যা ৫৭ টি, অন্যদিকে আয়াত সংখ্যা জোড়+ক্রম বিজোড়, আয়াত সংখ্যা বিজোড়+ ক্রম জোড় এগুলোকে অসমজাতীয় বল...

৬৮। সূরা কলাম

ছবি
নূন, কলমের শপথ আর লেখকেরা যা লেখে তার শপথ। (৬৮ নং সূরা কলাম, আয়াত ১)   আল্লাহ শিক্ষার গুরুত্ব প্রদান করে একটি সূরার শুরুতে কলমের শপথ করেছেন। সেই সাথে লেখা ও লেখকদেরও সম্মানিত করেছেন শপথের মাধ্যমে। পূর্নাঙ্গ ইসলামী জীবন বিধানে শিক্ষা, লেখা খুবই গুরুত্বপূর্ন বিষয় হিসেবে বিবেচিত।  আল কুর আনের সূরা গুলোর আয়াত ও ক্রম নিয়ে দারুন একটি বিশ্লেষণ। অবাক করার মত। আমরা জানি, আল কুরআনের মোট সূরা সংখ্যা ১১৪ টি। এর মধ্যে আয়াত সংখ্যা জোড় এমন সূরা ৫৪ টি, অন্যদিকে আয়াত সংখ্যা বিজোড় এমন সূরা ৬০ টি। আয়াত সংখ্যা জোড় এমন সূরা ৫৪ টির মধ্যে ক্রম জোড় এমন সূরা ১৭ টি এবং ক্রম বিজোড় এমন সূরার সংখ্যাও সমান ১৭ টি।  অন্যদিকে আয়াত সংখ্যা বিজোড় এমন সূরা ৬০ টির মধ্যে ক্রম জোড় এমন সূরা ৩০ টি এবং ক্রম বিজোড় এমন সূরার সংখ্যাও ৩০ টি।  আবার, আয়াত সংখ্যা জোড়+ক্রম জোড়, আয়াত সংখ্যা বিজোড়+ ক্রম বিজোড় এগুলোকে সমজাতীয় বলা হলে এমন সমজাতীয় সূরার সংখ্যা ৫৭ টি, অন্যদিকে আয়াত সংখ্যা জোড়+ক্রম বিজোড়, আয়াত সংখ্যা বিজোড়+ ক্রম জোড় এগুলোকে অসমজাতীয় বলা হলে এমন অসমজাতীয় সূরার সংখ্যাও ৫৭ টি।  এখানেই শেষ নয়, আয়াত সং...

৫২। সূরা তুর

ছবি
যারা ঈমান এনেছে (আল্লাযী-না আ-মানু) ও যারা মুমিন (মু’মিনূ-ন) তাদের মধ্যে কিছু পার্থক্য রয়েছে।শুধু ঈমান আনলেই হয় না সাথে আরো কিছ কাজ করা প্রয়োজন। এই সূরার ২১ নং আয়াতে বলা হয়েছে ঈমান আনার বিষয়ে।  যারা ঈমান এনেছে শব্দগুলো ক্রিয়া/কাজ এর সাথে সম্পর্কযুক্ত এবং মুমিন শব্দটি বিশেষ্য এর সাথে সম্পর্কযুক্ত। সাধারনত ক্রিয়া পরিবর্তনশীল ও অস্থায়ী এবং বিশেষ্য সাধারনত গুনবাচক ও স্থায়ী হয়, অস্তিত্বের সাথে মিশে যায় এমন।   যারা ঈমান এনেছে বলতে সেই সব মানুষদের বোঝায় যারা মুখে ঈমান এনে ইসলামে প্রবেশ করেছে কিন্তু অন্তরে ঈমান এখনও পুরাপুরি গেঁথে যায় নাই। অপরদিকে মুমিন বলতে সেই সব মানুষদের বোঝায় যারা মুখে ও অন্তরে ঈমান রাখে এবং স্থায়ী ও দৃঢ় ভাবে তাতে প্রতিষ্ঠিত থাকে।  আল কুর আনের সূরা গুলোর আয়াত ও ক্রম নিয়ে দারুন একটি বিশ্লেষণ। অবাক করার মত। আমরা জানি, আল কুরআনের মোট সূরা সংখ্যা ১১৪ টি। এর মধ্যে আয়াত সংখ্যা জোড় এমন সূরা ৫৪ টি, অন্যদিকে আয়াত সংখ্যা বিজোড় এমন সূরা ৬০ টি। আয়াত সংখ্যা জোড় এমন সূরা ৫৪ টির মধ্যে ক্রম জোড় এমন সূরা ১৭ টি এবং ক্রম বিজোড় এমন সূরার সংখ্যাও সমান ১৭ টি।  অন্যদিকে আ...

৩২। সূরা আস সাজদাহ

ছবি
আল কুরআনে বিভিন্ন জায়গায় মানুষের শ্রবণেন্দ্রীয়, দর্শনেন্দ্রিয় ও অন্তঃকরণ/মন মস্তিষ্ক এর ব্যাপারে উল্লেখ আছে (যেমন ১৬:৭৮, ১৭:৩৬, ২৩:৭৮, ৩২:৯ )। এই ইন্দ্রীয়গুলোর ক্রম মায়ের পেট এ সূচনা ও উন্নয়ন এর ক্রম অনুসারেই লিপিবদ্ধ হয়েছে! অর্থাৎ সবার আগে কানের এর পর চোখের ও পরে হৃদয় ও মস্তিস্কের গঠন ও পূর্নতা সাধিত হয়েছে! পরে প্রাপ্ত বয়স্ক হয়েও এই ধারা কার্যকরী।  কোন কথা প্রথমে শুনেই হুট করে বিশ্বাস না করে নিজের চোখ দিয়ে দেখে যাচাই করা উচিৎ এরপর শোনা ও দেখা বস্তুটি সম্পর্কে অন্তর ও বুদ্ধি বিবেক দিয়ে যাচাই ও পর্যালোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেয়া উচিৎ।  আল কুর আনের সূরা গুলোর আয়াত ও ক্রম নিয়ে দারুন একটি বিশ্লেষণ। অবাক করার মত। আমরা জানি, আল কুরআনের মোট সূরা সংখ্যা ১১৪ টি। এর মধ্যে আয়াত সংখ্যা জোড় এমন সূরা ৫৪ টি, অন্যদিকে আয়াত সংখ্যা বিজোড় এমন সূরা ৬০ টি। আয়াত সংখ্যা জোড় এমন সূরা ৫৪ টির মধ্যে ক্রম জোড় এমন সূরা ১৭ টি এবং ক্রম বিজোড় এমন সূরার সংখ্যাও সমান ১৭ টি।  অন্যদিকে আয়াত সংখ্যা বিজোড় এমন সূরা ৬০ টির মধ্যে ক্রম জোড় এমন সূরা ৩০ টি এবং ক্রম বিজোড় এমন সূরার সংখ্যাও ৩০ টি।  আবার, আয়াত সংখ্যা...

৭৫। সূরা কিয়ামাহ

ছবি
৭৫ তম সূরা আল কিয়ামাহ, আয়াত ৪ এ আল্লাহ বলেছেন, আমি তার আঙ্গুলের অগ্রভাগসমূহও সঠিকভাবে পূনর্বিন্যস্ত করতে সক্ষম।  প্রতিটি মানুষের আঙ্গুলের অগ্রভাগসমূহ (fingerprint) ভিন্ন। এজন্য এটিকে identification এর একটি অন্যতম মাধ্যম হিসাবে ব্যবহার করা হয়, যার ইঙ্গিত এই আয়াত দিয়ে রেখেছে। অগনিত মানুষ কাছাকাছি মাটিতে মিশে যাওয়ার পর পূনরুত্থান এর সময় আল্লাহ প্রতিটি মানুষের ভিন্ন আঙ্গুলের অগ্রভাগসমূহ সহ তাকে পূনর্বিন্যস্ত করে উঠাতে সক্ষম। সুবহানাল্লহ! সূরা আল কিয়ামাহ এর ৪ নং আয়াতে আঙ্গুলের অগ্রভাগের কথা বলা হয়েছে। আমাদের মানবদেহে দুই হাত দুই পা মোট চার জায়গায় এমন ৫ টি করে আঙ্গুল রয়েছে। ৪ নং আয়াতটি কুরআনের শুরু থেকে ৫৫৫৫ নং আয়াত। আমাদের চারহাত-পায়ে প্রতিটায় পাঁচটি করে আঙ্গুল রয়েছে। আঙ্গুলের অগ্রভাগ বলা হয়েছে ‘বানানাহ’ শব্দ দিয়ে। আরবিতে এটি মোট ৪ টি ভিন্ন ভিন্ন হরফের (বা, নুন, আলিফ, হা) মোট ৫ টি হরফের শব্দ।  চাঁদ (কমার) শব্দটি আল কুরআনে এসেছে ২৭ বার (৬ঃ৭৭, ৬ঃ৯৬, ৭ঃ৫৪, ১০ঃ৫, ১২ঃ৪, ১৩ঃ২, ১৪ঃ৩৩, ১৬ঃ১২, ২১ঃ৩৩, ২২ঃ১৮, ২৫ঃ৬১, ২৯ঃ৬১, ৩১ঃ২৯,৩৫ঃ১৩, ৩৬ঃ৩৯, ৩৬ঃ৪০, ৩৯ঃ৫, ৪১ঃ৩৭, ৫৪ঃ১, ৫৫ঃ৫, ৭১ঃ...

৪০। সূরা গফির

ছবি
মানুষের সৃষ্টির সূচনা আল্লাহ নিখুঁতভাবে বর্ননা করেছেন। যিনি সৃষ্টি করেছেন তিনিই তো জানেন কিভাবে এই সৃষ্টি হয়েছে। তাই তিনি মানুশকে তার সৃষ্টি সম্পর্কে অন্ধকারে রাখেননি, বিভিন্ন আয়াতে বলে দিয়েছেন। এক্ষেত্রে তিনি ‘নুতফাহ’(নগণ্য পরিমান তরল/শুক্রাণু) শব্দটি ব্যবহার করেছেন। এটি পাওয়া যায় আল কুরআনের ১৬:৪, ১৮:৩৭, ২২:৫, ২৩:১৩, ৩৫:১১, ৩৬:৭৭, ৪০:৬৭ , ৫৩:৪৬, ৭৫:৩৭, ৮০:১৯ তে।   আল কুর আনের সূরা গুলোর আয়াত ও ক্রম নিয়ে দারুন একটি বিশ্লেষণ। অবাক করার মত। আমরা জানি, আল কুরআনের মোট সূরা সংখ্যা ১১৪ টি। এর মধ্যে আয়াত সংখ্যা জোড় এমন সূরা ৫৪ টি, অন্যদিকে আয়াত সংখ্যা বিজোড় এমন সূরা ৬০ টি। আয়াত সংখ্যা জোড় এমন সূরা ৫৪ টির মধ্যে ক্রম জোড় এমন সূরা ১৭ টি এবং ক্রম বিজোড় এমন সূরার সংখ্যাও সমান ১৭ টি।  অন্যদিকে আয়াত সংখ্যা বিজোড় এমন সূরা ৬০ টির মধ্যে ক্রম জোড় এমন সূরা ৩০ টি এবং ক্রম বিজোড় এমন সূরার সংখ্যাও ৩০ টি।  আবার, আয়াত সংখ্যা জোড়+ক্রম জোড়, আয়াত সংখ্যা বিজোড়+ ক্রম বিজোড় এগুলোকে সমজাতীয় বলা হলে এমন সমজাতীয় সূরার সংখ্যা ৫৭ টি, অন্যদিকে আয়াত সংখ্যা জোড়+ক্রম বিজোড়, আয়াত সংখ্যা বিজোড়+ ক্রম জোড় এগু...

৩৪। সূরা সাবা

ছবি
তাঁর থেকে লুকিয়ে নেই আকাশ ও পৃথিবীতে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অনুকণা, না তার থেকে ছোট আর না তার থেকে বড়।  ৩৪ তম সূরা সাবা, আয়াত ৩ মহাবিশ্বে সকল ক্ষুদ্রতম (জাররা) পরিমান বস্তু এর বিষয় আল্লাহ জানেন। বিজ্ঞানের এই যুগে অনু, পরমানু ও এর বিভিন্ন উপাদান আবিষ্কৃত হওয়ার পর এটি ভালভাবে বোঝা যায় যে কত ক্ষুদ্র জিনিসের বিষয়ও আল্লাহ জানেন। সুবহানাল্লহ  প্রাচীন রোমান সভ্যতায় ক্যালেন্ডারে বছরে ১০ মাস ছিল। আল্লাহ আল কুরআনে ঘোষনা করেছেন বছরে মাস ১২ টি।   شهر (শাহরুন) শব্দের অর্থ মাস। বছরে মাস মোট ১২ টি; আল কুরআনে শাহরুন শব্দটি এসেছে মোট ১২ বার! (২:১৮৫, ২:১৮৫, ২:১৯৪, ২:১৯৪, ২:২১৭, ৫:২, ৫:৯৭, ৯:৩৬, ৩৪:১২, ৩৪:১২, ৪৬:১৫, ৯৭:৩)। বেশ সুন্দর মিল!!! আল কুর আনের সূরা গুলোর আয়াত ও ক্রম নিয়ে দারুন একটি বিশ্লেষণ। অবাক করার মত। আমরা জানি, আল কুরআনের মোট সূরা সংখ্যা ১১৪ টি। এর মধ্যে আয়াত সংখ্যা জোড় এমন সূরা ৫৪ টি, অন্যদিকে আয়াত সংখ্যা বিজোড় এমন সূরা ৬০ টি। আয়াত সংখ্যা জোড় এমন সূরা ৫৪ টির মধ্যে ক্রম জোড় এমন সূরা ১৭ টি এবং ক্রম বিজোড় এমন সূরার সংখ্যাও সমান ১৭ টি।  অন্যদিকে আয়াত সংখ্যা বিজোড় এমন সূরা ৬০...

১৩। সূরা আর রদ

ছবি
পৃথিবীর মত সূর্যেরও নির্দিষ্ট কক্ষপথ ও গতি আছে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য। এরপর এক সময় এগুলোর পরিসমাপ্তি হবে। বিজ্ঞানের এই আবিষ্কারের পূর্বেই আল কুরআন এর ইঙ্গিত দিয়েছে। বিভিন্ন সূরার আয়াতে।  যেমন আল কুরআন  ১৩ : ২ , ৩৫ : ১৩, ৩৬ : ৩৮, ৩৯ : ৫, ২১: ৩৩ চাঁদ (কমার) শব্দটি আল কুরআনে এসেছে ২৭ বার (৬ঃ৭৭, ৬ঃ৯৬, ৭ঃ৫৪, ১০ঃ৫, ১২ঃ৪, ১৩ঃ২ , ১৪ঃ৩৩, ১৬ঃ১২, ২১ঃ৩৩, ২২ঃ১৮, ২৫ঃ৬১, ২৯ঃ৬১, ৩১ঃ২৯,৩৫ঃ১৩, ৩৬ঃ৩৯, ৩৬ঃ৪০, ৩৯ঃ৫, ৪১ঃ৩৭, ৫৪ঃ১, ৫৫ঃ৫, ৭১ঃ১৬, ৭৪ঃ৩২, ৭৫ঃ৮, ৭৫ঃ৯, ৮৪ঃ১৮, ৯১ঃ২)।  অবাক করা বিষয় হল চাঁদ পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করতে ২৭ দিন সময় লাগে। তবে এই সময়ে পৃথিবী আবার সূর্যকে কেন্দ্র করে ২ দিন এগিয়ে যায়। এজন্য চাঁদকে আরও দুদিন বেশি ঘুরতে হয় এজন্য চন্দ্র মাস ২৯ দিনে হয়।   আল কুর আনের সূরা গুলোর আয়াত ও ক্রম নিয়ে দারুন একটি বিশ্লেষণ। অবাক করার মত। আমরা জানি, আল কুরআনের মোট সূরা সংখ্যা ১১৪ টি। এর মধ্যে আয়াত সংখ্যা জোড় এমন সূরা ৫৪ টি, অন্যদিকে আয়াত সংখ্যা বিজোড় এমন সূরা ৬০ টি। আয়াত সংখ্যা জোড় এমন সূরা ৫৪ টির মধ্যে ক্রম জোড় এমন সূরা ১৭ টি এবং ক্রম বিজোড় এমন সূরার সংখ্যাও সমান ...

৭১। সূরা নূহ

ছবি
সূর্য এর নিজস্ব আলো থাকলেও চাঁদের কোন আলো নেই। সূর্য এর আলো চাঁদে প্রতিফলিত হয় বিধায় আমরা পৃথিবী থেকে চাঁদকে দেখতে পাই। বিজ্ঞানের এই আবিষ্কারের পূর্বেই আল কুরআন এর ইঙ্গিত দিয়েছে।  আর তাদের মাঝে চাঁদকে বানিয়েছেন আলো এবং সূর্যকে বানিয়েছেন প্রদীপ। (৭১ তম সূরা নূহ, আয়াত :১৬) চাঁদ (কমার) শব্দটি আল কুরআনে এসেছে ২৭ বার (৬ঃ৭৭, ৬ঃ৯৬, ৭ঃ৫৪, ১০ঃ৫, ১২ঃ৪, ১৩ঃ২, ১৪ঃ৩৩, ১৬ঃ১২, ২১ঃ৩৩, ২২ঃ১৮, ২৫ঃ৬১, ২৯ঃ৬১, ৩১ঃ২৯,৩৫ঃ১৩, ৩৬ঃ৩৯, ৩৬ঃ৪০, ৩৯ঃ৫, ৪১ঃ৩৭, ৫৪ঃ১, ৫৫ঃ৫, ৭১ঃ১৬ , ৭৪ঃ৩২, ৭৫ঃ৮, ৭৫ঃ৯, ৮৪ঃ১৮, ৯১ঃ২)।  অবাক করা বিষয় হল চাঁদ পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করতে ২৭ দিন সময় লাগে। তবে এই সময়ে পৃথিবী আবার সূর্যকে কেন্দ্র করে ২ দিন এগিয়ে যায়। এজন্য চাঁদকে আরও দুদিন বেশি ঘুরতে হয় এজন্য চন্দ্র মাস ২৯ দিনে হয়।   আল কুর আনের সূরা গুলোর আয়াত ও ক্রম নিয়ে দারুন একটি বিশ্লেষণ। অবাক করার মত। আমরা জানি, আল কুরআনের মোট সূরা সংখ্যা ১১৪ টি। এর মধ্যে আয়াত সংখ্যা জোড় এমন সূরা ৫৪ টি, অন্যদিকে আয়াত সংখ্যা বিজোড় এমন সূরা ৬০ টি। আয়াত সংখ্যা জোড় এমন সূরা ৫৪ টির মধ্যে ক্রম জোড় এমন সূরা ১৭ টি এবং ক্রম বিজোড় এমন সূরা...

৪১। সূরা ফুসসিলাত

ছবি
মহাকাশ গবেষণায় জানা গেছে মহাবিশ্বের সূচনা এর পরে ধোঁয়া বা ধূম্র অবস্থায় ছিল। এরপর আকাশ ও গ্রহ এবং অন্যান্য উপাদান সৃষ্টি হয়।  এ বিষয়ে কুরআন আগেই বর্ননা দিয়েছে।    তারপর নজর দিয়েছেন আকাশের দিকে যখন তা ছিল ধোঁয়া (এর মত)। তখন তিনি আকাশ আর পৃথিবীকে বললেন- আমার অনুগত হও, ইচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায়। উভয়ে বলল- আমরা স্বেচ্ছায় অনুগত হলাম। ৪১ তম সূরা ফুসসিলাত, আয়াত ১১ ৪১ তম সূরা ফুসসিলাত, আয়াত ২০ এ বর্ননা করা হয়েছে জাহান্নামের কথা। সেখানে আছে, শেষে যখন তারা সেখানে পৌঁছবে, তখন তারা যা করত সে সম্পর্কে তাদের কান, তাদের চোখ আর তাদের চামড়া তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবে। এটি বেশি ভয়াবহ তাই এই পরিস্থিতি বুঝাতে ‘মা’ শব্দটি অতিরিক্ত এসেছে। অন্যদিকে ৩৯ নং সূরা ঝুমার এর আয়াত ৭১ এও বর্ননা করা হয়েছে জাহান্নামের কথা। সেখানে আছে, শেষে যখন তারা সেখানে পোঁছবে, তখন তার দরজাগুলো খুলে দেয়া হবে। জাহান্নামের রক্ষীরা তাদের রাসূলের আগমন সম্পর্কে প্রশ্ন করবে এবং তারা স্বীকার করবে। এটি কম ভয়াবহ, তাই মা শব্দটি নেই।   ৭ তম সূরা আরাফ, আয়াত ২০০ তে বলা হয়েছে শয়ত্বানের পক্ষ থেকে যদি তুমি কুম...

১০। সূরা ইউনুস

ছবি
সূরা ইউনুসের ৫ নং আয়াতে সূর্যকে আলোর উৎস ও চাঁদ এর নিজস্ব আলো নেই বরং সূর্য এর প্রতিফলিত আলোতেই চাঁদ আলোকিত দেখায় এমন বলা হয়েছে, যা ঠিক আছে। বিজ্ঞানও এমনই বলে,  কিন্তু বাইবেলের Book of Genesis 1:16 তে সূর্য এবং চাঁদ দুটোকেই আলোর উৎস বলা হয়েছে। যা মূলত ভুল। চাঁদ (কমার) শব্দটি আল কুরআনে এসেছে ২৭ বার (৬ঃ৭৭, ৬ঃ৯৬ , ৭ঃ৫৪, ১০ঃ৫ , ১২ঃ৪, ১৩ঃ২, ১৪ঃ৩৩, ১৬ঃ১২, ২১ঃ৩৩, ২২ঃ১৮, ২৫ঃ৬১, ২৯ঃ৬১, ৩১ঃ২৯,৩৫ঃ১৩, ৩৬ঃ৩৯, ৩৬ঃ৪০, ৩৯ঃ৫, ৪১ঃ৩৭, ৫৪ঃ১, ৫৫ঃ৫, ৭১ঃ১৬, ৭৪ঃ৩২, ৭৫ঃ৮, ৭৫ঃ৯, ৮৪ঃ১৮, ৯১ঃ২)।  অবাক করা বিষয় হল চাঁদ পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করতে ২৭ দিন সময় লাগে। তবে এই সময়ে পৃথিবী আবার সূর্যকে কেন্দ্র করে ২ দিন এগিয়ে যায়। এজন্য চাঁদকে আরও দুদিন বেশি ঘুরতে হয় এজন্য চন্দ্র মাস ২৯ দিনে হয়।   হেদায়াত এর আলো আল্লাহ যে শুধু অতি উত্তম সৎকর্মশীলদের জন্য (৩১ তম সূরা লুকমান, আয়াত ২,৩)  তা নয়, বরং সাধারন মুমিন, মুত্তাকী পর্যন্ত বিস্তৃত (১০ তম সূরা ইউনুস, আয়াত ৫৭ ২য় সূরা বাকারা, আয়াত ২)। শুধু তাই নয়, আসলে এই হেদায়াত সকল মানুষের উপরই আল্লাহ সহজ করে দিয়েছেন।  (২য় সূরা বাকারা, আয়াত ১৮৬)...

৯। সূরা আত তাওবা

ছবি
প্রাচীন রোমান সভ্যতায় ক্যালেন্ডারে বছরে ১০ মাস ছিল। আল্লাহ আল কুরআনে ঘোষনা করেছেন বছরে মাস ১২ টি।   شهر (শাহরুন) শব্দের অর্থ মাস। বছরে মাস মোট ১২ টি; আল কুরআনে শাহরুন শব্দটি এসেছে মোট ১২ বার! (২:১৮৫, ২:১৮৫, ২:১৯৪, ২:১৯৪, ২:২১৭, ৫:২, ৫:৯৭, ৯:৩৬, ৩৪:১২, ৩৪:১২, ৪৬:১৫, ৯৭:৩)। বেশ সুন্দর মিল!!! সূরা আত তাওবা এর একটি (৭২ নং) আয়াতে কিছু মানুষের জন্য অধিক মর্যাদাসম্পন্ন জান্নাতের বর্ননা দিয়েছেন যারা দুনিয়ায় অধিক সৎ কর্মশীল। এর কিছু আয়াত পরে (১০০ নং আয়াতে) আবার আরেক দল মানুশের জন্য জান্নাতের বর্ননা দিয়েছেন যারা দুনিয়ায় সৎ কর্মশীল তবে আগের দলের মত নয়। তাদের জান্নাতের বর্ননায় মর্যাদা কিছুটা কম (মিন, হুয়া বাদ দিয়ে কম) করে বলা হয়েছে।  কি সুন্দর ধারাবাহিকতা, যুক্তি ও সামঞ্জস্যতা। এভাবে মেপে মেপে বলা বা লেখা আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি বড় শিক্ষা আমাদের বলা বা লেখার ক্ষেত্রে। সুবহানাল্লহ  ১২১ নং আয়াতে আল্লাহ বলেছেন, মানুষ দান করে, আল্লাহর পথে চলে সেগুলো সৎকাজ হিসাবে গণ্য হয়। এটা তো বেশ স্বাভাবিক ও সরাসরি বা ডিরেক্ট ভাল কাজ। অন্যদিকে তাদের এমন পদক্ষেপ যা এমন পদক্ষেপ যা কাফিরদের ক্রোধ...

২৯। সূরা আনকাবুত

ছবি
আরবী ভাষায় 'আম' এবং 'সানাহ' শব্দ দুটি দিয়ে বছর বোঝায়। তবে আম শব্দটি ব্যবহার হয় ভাল অর্থের ক্ষেত্রে ও সানাহ শব্দটি ব্যবহার হয় খারাপ অর্থের ক্ষেত্রে।  ২৯ নং সূরা আল আনকাবুত, আয়াত ১৪ এ আল্লাহ বলেছেন, আমি নূহকে তার সম্প্রদায়ের কাছে পাঠিয়েছিলাম, অতঃপর সে পঞ্চাশ বছর কম হাজার বছর তাদের মাঝে অবস্থান করেছিল। অতঃপর মহাপ্লাবন তাদেরকে গ্রাস করল কারণ তারা ছিল সীমালঙ্ঘনকারী। নূহ (আ) এর সম্প্রদায় অনেক বেশি বছর ধরে আল্লাহর নাফরমানী করে ও নবীর দাওয়াত গ্রহন করতে অস্বীকার করে, অল্প বছর অল্প কিছু অনুসারী বাদে। এজন্য আল্লাহ বেশি সময় প্রকাশক হাজার বছরের ক্ষেত্রে নেতিবাচক শব্দ সানাহ এবং কম সময় প্রকাশক পঞ্চাশ বছরের ক্ষেত্রে ইতিবাচক শব্দ ‘আম’ ব্যবহার করেছেন। কি অসাধারন সামঞ্জস্যপূর্ন আল্লাহর শব্দচয়ন! মাকড়সা জাল প্রকৃতির সেরা শক্তিশালী ম্যাটেরিয়াল। এটি স্টিলের চেয়েও বেশি শক্তিশালী, ফ্লেক্সিবল। কিন্তু এই ম্যাটারিয়াল দিয়ে তৈরি জাল আর্কিটেকচারালি এবং স্ট্রাকচারালি এমন ভাবে অ্যারেঞ্জড যে এটি উইকেস্ট ডিজাইনে একত্রিত হয়। এটি সহজেই ভঙ্গুর ও ধ্বংসযোগ্য। অর্থাৎ স্ট্রঙ্গেস্ট মেটেরিয়াল ইজ ইউজড ইন উ...