পৃথিবীর মত সূর্যেরও নির্দিষ্ট কক্ষপথ ও গতি আছে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য। এরপর এক সময় এগুলোর পরিসমাপ্তি হবে। বিজ্ঞানের এই আবিষ্কারের পূর্বেই আল কুরআন এর ইঙ্গিত দিয়েছে। বিভিন্ন সূরার আয়াতে। যেমন আল কুরআন ১৩ : ২ , ৩৫ : ১৩, ৩৬ : ৩৮, ৩৯ : ৫, ২১: ৩৩ চাঁদ (কমার) শব্দটি আল কুরআনে এসেছে ২৭ বার (৬ঃ৭৭, ৬ঃ৯৬, ৭ঃ৫৪, ১০ঃ৫, ১২ঃ৪, ১৩ঃ২ , ১৪ঃ৩৩, ১৬ঃ১২, ২১ঃ৩৩, ২২ঃ১৮, ২৫ঃ৬১, ২৯ঃ৬১, ৩১ঃ২৯,৩৫ঃ১৩, ৩৬ঃ৩৯, ৩৬ঃ৪০, ৩৯ঃ৫, ৪১ঃ৩৭, ৫৪ঃ১, ৫৫ঃ৫, ৭১ঃ১৬, ৭৪ঃ৩২, ৭৫ঃ৮, ৭৫ঃ৯, ৮৪ঃ১৮, ৯১ঃ২)। অবাক করা বিষয় হল চাঁদ পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করতে ২৭ দিন সময় লাগে। তবে এই সময়ে পৃথিবী আবার সূর্যকে কেন্দ্র করে ২ দিন এগিয়ে যায়। এজন্য চাঁদকে আরও দুদিন বেশি ঘুরতে হয় এজন্য চন্দ্র মাস ২৯ দিনে হয়। ৩য় আয়াতে আল্লাহ বলেছেন তিনি ফল জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহ স্রষ্টা, একক, অদ্বিতীয়। স্রষ্টা এর সাথে সৃষ্টি আলাদা, ভিন্ন বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন করার জন্য হয়তো এভাবে জোড়া করেছেন। সূরার ১৭ নম্বর আয়াতে বৃষ্টি এর কিছু বিষয় আলোচনা করা হয়েছে। দেখুন কি সুন্দর উপমা। বৃষ্টি আকাশ থেকে আসে আর কোরআন ন...