৫০। সূরা ক্বফ
৫০ তম সূরা ক্বফ এর ২ নম্বর আয়াতে এবং ৩৮ তম সূরা সোয়াদ এর ৪ ও ৫ নম্বর আয়াতে মোটামুটি কাছাকাছি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। তবে ৩৮ তম সূরা সোয়াদ এর ৪ ও ৫ নম্বর আয়াতে ৩ টি বিষয় অতিরিক্ত বলা হয়েছে। অর্থাৎ মুহাম্মাদ (স) এর বিষয়ে ৩ টি নতুন বৈশিষ্টের অবতারনা করা হয়েছেঃ যাদুকর, মিথ্যাবাদী, বহু মা’বুদের (পরিবর্তে) এক মা’বূদ বানিয়ে নেওয়া। বিস্ময়কর হলো এই যে, এই বিস্ময়কর ব্যাপারটি বর্ননা করা হয়েছে ৩ ডিগ্রী বেশি বিস্ময় এর মাধ্যমে
কুরআন নাযিল ও প্রচার হয়েছে মুহাম্মাদ (স) এর মৌখিক কথার মাধ্যমে। ২ সময়ে নাযিলকৃত ২ টি ভিন্ন সূরায় কাছাকাছি বিষয়ে এভাবে মনে রেখে ৩ টি নতুন বৈশিষ্ট্য ও তার সাথে মিল রেখে ৩ ডিগ্রী বেশি বিস্ময় প্রকাশ করা; এটি কি মানুষের পক্ষে সম্ভব? এখন কুরআন আমাদের মাঝে লিখিত আকারে আছে এজন্য এভাবে ২ সময়ে নাযিলকৃত ২ টি ভিন্ন সূরা কাছাকাছি নিয়ে পর্যালোচনা করা যাচ্ছে, কিন্তু এটি যদি মুহাম্মাদ (স) এর মুখের কথা হতো তাহলে কি তিনি এতো নিখুতভাবে মনে রেখে বলতে পারতেন? আল্লাহু আকবার। তিনি মহান ও বিস্ময়কর আল কুরআনের স্রষ্টা।উপরের নোটের কিছু অংশ উস্তাদ নোমান আলী খান এর বিভিন্ন লেকচার এবং ইন্টারনেট থেকে কিছু ভিডিও, ছবি থেকে অনুপ্রানীত হয়ে সম্পাদনা করে গ্রহণ করা হয়েছে। কুরআন সম্পর্কে
উস্তাদের দারুন বই কিনতে পারেন এই লিঙ্ক থেকেঃ রিভাইভ ইয়োর হার্ট , ডিভাইন স্পিচ,

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন