৮ নং আয়াতে আল্লাহ তার নবীকে বলেছেন; 'ওয়াতাবাত্তাল ইলাইহি তাবতিলা' অর্থাৎ, সকল কিছু বিচ্ছিন্ন করে রবের প্রতি মনোযোগী হন মনোযোগী করার মত। সচারচর ব্যাকরণের নিয়মে হওয়ার কথা ছিল 'ওয়াতাবাত্তাল ইলাইহি তাবাত্তুলা' অর্থাৎ, সকল কিছু বিচ্ছিন্ন করে রবের প্রতি মনোযোগী হন মনোযোগী হওয়ার মত।
এভাবে বলার মাধ্যমে আল্লাহ ব্যতিক্রমীভাবে মুহাম্মাদ (সঃ) এর একাগ্রতাকে যেমন প্রাধান্য দিয়েছেন সেই সাথে তার ঐ নামাজে উৎসাহী হয়ে উম্মতদেরও নবীর অনুসরণে আল্লাহর প্রতি নামাজে মনোযোগী হবার সুযোগে ভাগীদার করে সৌভাগ্যবান করেছেন। অর্থাৎ এককভাবে সকল ক্রেডিট ও কল্যাণ মুহাম্মাদ (সঃ) কে দেয়া হতো যদি নিয়মমাফিক ‘তাবাত্তুলা’ বলা হতো। আল্লাহ সচারচর ব্যাকরণের নিয়ম ভেঙ্গে ‘তাবতিলা’ বলার মাধ্যমে নবীর সাথে সাথে তার উম্মতদেরকেও আল্লাহ ও তার নবীর প্রতি মনোযোগী হবার ক্রেডিট ও কল্যাণ এর মধ্যে সামিল করেছেন, সুবহানাল্লহ, আলহামদুলিল্লাহ।
আল কুর আনের সূরা গুলোর আয়াত ও ক্রম নিয়ে দারুন একটি বিশ্লেষণ। অবাক করার মত। আমরা জানি, আল কুরআনের মোট সূরা সংখ্যা ১১৪ টি। এর মধ্যে আয়াত সংখ্যা জোড় এমন সূরা ৫৪ টি, অন্যদিকে আয়াত সংখ্যা বিজোড় এমন সূরা ৬০ টি। আয়াত সংখ্যা জোড় এমন সূরা ৫৪ টির মধ্যে ক্রম জোড় এমন সূরা ১৭ টি এবং ক্রম বিজোড় এমন সূরার সংখ্যাও সমান ১৭ টি।
অন্যদিকে আয়াত সংখ্যা বিজোড় এমন সূরা ৬০ টির মধ্যে ক্রম জোড় এমন সূরা ৩০ টি এবং ক্রম বিজোড় এমন সূরার সংখ্যাও ৩০ টি।
আবার, আয়াত সংখ্যা জোড়+ক্রম জোড়, আয়াত সংখ্যা বিজোড়+ ক্রম বিজোড় এগুলোকে সমজাতীয় বলা হলে এমন সমজাতীয় সূরার সংখ্যা ৫৭ টি, অন্যদিকে আয়াত সংখ্যা জোড়+ক্রম বিজোড়, আয়াত সংখ্যা বিজোড়+ ক্রম জোড় এগুলোকে অসমজাতীয় বলা হলে এমন অসমজাতীয় সূরার সংখ্যাও ৫৭ টি।
এখানেই শেষ নয়, আয়াত সংখ্যা+ক্রম এটা যোগ করলে যোগফল জোড় এমন সূরার সংখ্যা ৫৭ টি আবার অন্যদিকে আয়াত সংখ্যা+ক্রম এটা যোগ করলে যোগফল বিজোড় এমন সূরার সংখ্যাও ৫৭ টি এভাবে আল কুর আনে সূরার সংখ্যা, আয়াত সংখ্যা, ক্রম ইত্যাদি খুব সুন্দরভাবে গোছানো, বেশ অবাক করা তাইনা?
উপরের নোটের কিছু অংশ উস্তাদ নোমান আলী খান এর বিভিন্ন লেকচার এবং ইন্টারনেট থেকে কিছু ভিডিও, ছবি থেকে অনুপ্রানীত হয়ে সম্পাদনা করে গ্রহণ করা হয়েছে। কুরআন সম্পর্কে
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন