২৪। সূরা আন নূর (আলো)

সূরাটি অত্যন্ত স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন। এই সূরাটি শুরু হয়েছে "সূরাতুন আনযালনাহা" দিয়ে যার অর্থ "একটি সূরা যা আমরা নাযিল করেছি"। কুরআনের ১১৪টি সূরার মধ্যে একমাত্র এই সূরাটিই এভাবে শুরু হয়েছে, যা এর অনন্য মর্যাদার প্রমাণ। আরবীতে "সূরা" শব্দের দুটি গভীর অর্থ রয়েছে। একটি হলো সর্বোচ্চ মর্যাদা ও সম্মান, আরেকটি হলো শহরের বাইরের সুরক্ষা প্রাচীর। এই সূরায় আল্লাহ ঘরে, বাইরে মুমিনদের ব্যক্তিগত, সামাজিক, রাজনৈতিক ও অন্যান্য সুরক্ষার মাধ্যমে মুসলিম সমাজকে একটি পূর্ণাঙ্গ সুরক্ষাকবচ দিয়েছেন।

সূরাটি মদীনায় নাযিল হয়েছে, একবারে নয়, বরং বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষিতে ধীরে ধীরে। তবে চূড়ান্তভাবে বিন্যস্ত হয়েছে আল্লাহর নিজস্ব নিখুঁত পরিকল্পনায়। এই সূরায় মোট ১০ টি সেকশন রয়েছে, যেগুলো একটি শহরের বিভিন্ন অংশের মতো, পৃথক কিন্তু পরস্পর নির্ভরশীল।

সেকশন ১: সামাজিক সুরক্ষার কঠিন আইন। ব্যভিচারের কঠিন শাস্তি, প্রমানে সাক্ষী প্রয়োজন এবং মিথ্যা অপবাদ এর  বিষয় এসেছে। ইসলামের আইন সমাজের মূল ভিত্তি পরিবার প্রতিষ্ঠানকে রক্ষা করার জন্য। কারণ পরিবার না থাকলে সমাজ টিকে থাকে না। এটি হলো সামাজিক সংরক্ষণের বিধান।

সেকশন ২: মুনাফিকদের ষড়যন্ত্র—আয়েশা (রা.)-এর বিরুদ্ধে অপবাদ। সেকশন ১ এর বিধানের বিপরীতে একদল মুনাফিক , উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা.)-এর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ রটায় প্রয়োজনীয় সাক্ষী ছাড়া। এটা সমাজে একটি বিশাল অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে। আল্লাহ এই সেকশনে স্পষ্ট করেছেন মুনাফিকরা শুধু বাইরে থেকে নয়, সমাজের ভেতর থেকেও কতটা ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে পারে। সেই সাথে সেকশন ১ এর বিধান না মানলে কি রকম ফল আসতে পারে তা আল্লাহ সেকশন ২ এ দেখিয়ে দেন।

সেকশন ৩: মুসলিমদের জন্য সুরক্ষামূলক উপদেশ। সেকশন ২ এ বর্নিত কাজের ক্ষতিকর দিক, মুনাফিকদের ষড়যন্ত্র থেকে নিজেদের রক্ষা করা, যারা না বুঝে অপরাধ করে ফেলেছে ও অনুশোচনা করেছে তাদের ক্ষমা করা এই উপদেশগুলো মুসলিম সমাজের জন্য ঢাল হিসেবে কাজ করে।

সেকশন ৪: প্রতিরোধমূলক তিনটি আইন। ৩ টি প্রতিরোধমূলক বিধান আল্লাহ দিয়েছেন, যা সমস্যা ঘটার আগেই তা রোধ করে। ১। কারও ঘরে প্রবেশের আগে অনুমতি নেওয়া  এটি মানুষের গোপনীয়তা ও সম্মান রক্ষার বিধান। ২। দৃষ্টি সংযত রাখা ও শালীন পোশাক পরা: যাতে সমাজে অনাকাঙ্ক্ষিত আকর্ষণ তৈরি না হয়। ৩। তরুণদের বিয়ে দেওয়া: এই একটি বিধান সমাজের অনেক সমস্যার সমাধান করে। 

সেকশন ৫: নূর বা আলো। আল্লাহ আসমান ও জমিনের আলো। পঞ্চম সেকশন সম্পূর্ণ কুরআনের সবচেয়ে সুন্দর ও গভীর আয়াতগুলোর একটি। এটি খুব সুন্দরভাবে symmetric 

১ম ও ৭ম অংশ মিল রেখেছে আল্লাহ ভৌগোলিক ও আধ্যাত্মিক আলোর উৎস জানিয়ে। ২য় ও ৬ষ্ঠ অংশ মিলে জানিয়েছে প্রদীপরূপি সৃষ্টি যার একটি সহজাত বৈশিষ্ট্য আছে আবার বহিরাগত উৎস হতেও যার উপর বৈশিষ্ট্য আসে। ৩য় এবং ৫ম অংশ বোঝায় মানুষের আত্মার পরিশুদ্ধ অবস্থা যা আলো বা হেদায়াত পাওয়ার আগেও দীপ্তিমান। আর মাঝের অংশে রয়েছে পরিশুদ্ধ মানুষের আত্মা এর ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা নাই। 

এখানে আল্লাহ দুটি বিপরীত দৃশ্য তুলে ধরেছেন। ইমানদার হৃদয়ের মধ্যে আলোর উপমা, এবং কাফিরের অন্তরের গভীর অন্ধকারের উপমা। এই সেকশনের মূল বিষয় হলো মানুষের হৃদয়। এই সেকশন পুরো সূরার কেন্দ্রে অবস্থিত, কারণ সকল আইন-কানুনের উদ্দেশ্যই হলো এই হৃদয়কে সুরক্ষিত রাখা। 

সেকশন ৬: সৃষ্টিজগতে আল্লাহর নিদর্শন। আসমান, যমিন, পাখি, মেঘমালা, পানি এর দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। কিন্তু এখানে শুধু দেখার কথা নয়, ইমানের চোখ দিয়ে দেখার কথা বলা হয়েছে।। ইমান মানুষের পৃথিবী দেখার দৃষ্টিভঙ্গিই পরিবর্তন করে দেয়। এই সেকশনটি আসলে মানুষের বিবেক ও বুদ্ধিকে সুরক্ষিত রাখার কথা বলে  ঠিক যেভাবে পঞ্চম সেকশন হৃদয়ের কথা বলে। ইসলাম একই সাথে আধ্যাত্মিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক; উভয়ের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে। 

সেকশন ৭: মুনাফিকদের দ্বিতীয় কৌশল। সপ্তম সেকশনে আবার মুনাফিকদের প্রসঙ্গ আসে, তবে ভিন্ন কৌশলে। এখানে তারা মুখে বলে আমরা শুনলাম, মানলাম কিন্তু কাজে তা করে না। রাসূল (সা.) কোনো নির্দেশ দিলে তারা সম্মতি জানায়, তারপর ফিরে গিয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরি করে। প্রথমবার সেকশন ২ এ মুনাফিকরা ক্ষতি করেছিল মিথ্যা অপবাদ রটিয়ে। এবার তারা ক্ষতি করছে আনুগত্যের ভান করে। এটি বাইরে থেকে আক্রমণের চেয়েও বিপজ্জনক কারণ এটি ভেতর থেকে সমাজকে ভাঙে। 

সেকশন ৮: মুমিনদের জন্য পুনরায় সুরক্ষার উপদেশ। আল্লাহ  মুমিনদের শিক্ষা দিয়েছেন কীভাবে এই দ্বিতীয় ধরনের মুনাফিকি থেকে নিজেদের রক্ষা করতে হবে। লক্ষণীয় যে, সেকশন ২-এ ছিল মুনাফিকদের প্রথম ষড়যন্ত্র এবং সেকশন ৩-এ ছিল তার বিরুদ্ধে উপদেশ। এখানেও একইভাবে সেকশন ৭-এ মুনাফিকদের দ্বিতীয় কৌশল এবং সেকশন ৮-এ তার বিরুদ্ধে উপদেশ এসেছে। এই সমান্তরাল কাঠামো সূরার নিখুঁত বিন্যাসের আরেকটি প্রমাণ। এই সেকশনে স্থিতি, রাষ্ট্র ক্ষমতা দানের অঙ্গিকার করা হয়েছে। 

সেকশন ৯: ঘরের ভেতরের ৩ টি আইন। নবম সেকশনে আল্লাহ আবার তিনটি আইন দিয়েছেন, যা সেকশন ৪-এর তিনটি আইনের সাথে গভীরভাবে সমান্তরাল তবে এবার বিষয়টি ঘরের বাইরে নয়, ঘরের ভেতরে। ১। ঘরের ভেতরে অনুমতি: সেকশন ৪-এ বলা হয়েছিল অন্যের ঘরে প্রবেশের আগে অনুমতি নিতে। এখানে বলা হচ্ছে, ঘরের শিশুরাও নির্দিষ্ট সময়ে; রাতে এবং দুপুরের বিশ্রামের সময়ে পিতামাতার শয়নকক্ষে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করবে না। ২।পর্দার ব্যতিক্রম: সেকশন ৪-এ নারীদের শালীনভাবে আবৃত থাকার বিধান ছিল। এখানে বলা হচ্ছে, অত্যন্ত বৃদ্ধা নারীদের জন্য এই বিধানে শিথিলতা রয়েছে; তারা চাইলে পর্দা না করলেও চলবে এবং অন্ধ ও গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্যও বিধান শিথিল।

৩। বৈধ মেলামেশার সীমারেখা: সেকশন ৪-এ তরুণদের বিয়ে দেওয়ার কথা ছিল। এখানে বলা হচ্ছে, আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে গিয়ে একসাথে খাওয়া, বন্ধুর বাড়িতে যাওয়া এই ধরনের পারিবারিক ও সামাজিক মেলামেশা বৈধ। সবকিছুই নিষিদ্ধ নয়, হালাল মেলামেশার সুযোগ রয়েছে। এই তিনটি আইন সেকশন ৪-এর তিনটি আইনের প্রতিধ্বনি। একদিকে বাইরের জগতের নিয়ম, অন্যদিকে ঘরের ভেতরের নিয়ম দুটো মিলে একটি পূর্ণ পারিবারিক ও সামাজিক জীবনবিধি তৈরি হয়।

সেকশন ১০: রাজনৈতিক শৃঙ্খলা। রাসূল (সা.) যখন সম্মিলিত কোনো নির্দেশ দেন, তাঁর অনুমতি ছাড়া সেই সভাস্থল ত্যাগ করা যাবে না। নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্য এবং সামষ্টিক দায়িত্ববোধ এটিই রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ভিত্তি। এখানে লক্ষণীয় যে, সূরার শুরুতে ছিল সামাজিক শৃঙ্খলার আইন আর শেষে এলো রাজনৈতিক শৃঙ্খলার আইন। একটি সমাজ কেবল রাজনৈতিক স্থিতিশীলতায় টিকে থাকে না, সামাজিক স্থিতিশীলতাও লাগে। আবার শুধু সামাজিক স্থিতিশীলতাও যথেষ্ট নয়, রাজনৈতিক শৃঙ্খলাও দরকার। এই দুটি মিলেই একটি পূর্ণ ও সুরক্ষিত সমাজ গঠিত হয়।

সূরার মহাপরিকল্পনা: একটি নিখুঁত ভারসাম্য এই সূরার গঠন অলৌকিকভাবে সুষম। বাইরের দুই প্রান্তে রয়েছে  একদিকে সেকশন ১-এ সামাজিক শৃঙ্খলার আইন, অন্যদিকে সেকশন ১০-এ রাজনৈতিক শৃঙ্খলার আইন। মাঝের স্তরে রয়েছে  একদিকে সেকশন ২ ও ৭-এ মুনাফিকদের ষড়যন্ত্র, অন্যদিকে সেকশন ৩ ও ৮-এ মুমিনদের সুরক্ষার উপদেশ। তার ভেতরে রয়েছে  একদিকে সেকশন ৪-এ বাইরের তিনটি আইন, অন্যদিকে সেকশন ৯-এ ঘরের ভেতরের তিনটি আইন। আর ঠিক মাঝখানে, সূরার হৃদয়ে রয়েছে সেকশন ৫ ও ৬ আয়াতুন নূর এবং সৃষ্টিজগত পর্যবেক্ষণের আয়াত। একটি হৃদয়ের কথা বলে, আরেকটি বিবেকের কথা বলে। কারণ সকল বাহ্যিক আইনের চূড়ান্ত উদ্দেশ্য হলো প্রতিটি মানুষের আধ্যাত্মিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক সত্তাকে সুরক্ষিত রাখা। 

ইহুদিরা ছিলেন বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে শক্তিশালী কিন্তু হৃদয়শূন্য। খ্রিষ্টানরা ছিলেন আবেগপ্রবণ কিন্তু যুক্তিহীন। ইসলাম এই দুইয়ের মাঝে পূর্ণ ভারসাম্য রক্ষা করে হৃদয় ও মন, উভয়কেই সমান গুরুত্ব দেয়।  

সূরা নূর কোনো বিচ্ছিন্ন আইনের সংকলন নয়। এটি একটি সম্পূর্ণ জীবনব্যবস্থা  যেখানে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র একসাথে সুরক্ষিত। বাইরে রয়েছে রাষ্ট্র ও সমাজের সুরক্ষার দেওয়াল, মাঝে রয়েছে পরিবারের আর একেবারে কেন্দ্রে রয়েছে ব্যক্তি মানুষের হৃদয় ও বিবেকের সুরক্ষা। আল্লাহ সমগ্র জাহানের আলো। তিনি আলোকিত করতে পারেন মানুষের হৃদয় থেকে শুরু করে সমাজ, রাষ্ট্র, সকল সৃষ্টি জাহান। তার আলো গ্রহণ করলে আমাদেরই লাভ, তার নির্দেশনায় চললে সবই আলোকিত হবে না হলে অন্ধকার জেঁকে বসবে।   

আল্লাহ ৪ ধরনের মানুষদের ৪ ভাবে চিত্রায়িত করেছেন; ও হে যারা ঈমান এনেছ, মুমিন, ও হে যারা কুফরী করেছ, ও হে যারা কাফির। মুমিনদের একান্ত নৈকট্য ও যারা ঈমান এনেছে তাদের ক্ষেত্রে কিছুটা দূরত্ব রাখলেও যারা কুফরী করেছে ও কাফির উভয়ের ক্ষেত্রেই আল্লাহ দূরত্বসূচক শব্দ ইয়া (ও হে) ব্যবহার করেছেন 

আল্লাহ আল কুরআন এ বিভিন্ন জায়গায় বলেছেন যেন তোমরা হতে পারো (লাআল্লাকুম)। এটা বলার মাধ্যমে তিনি মানুষের কাঙ্খিত মূল গুণাবলীগুলোর পরিচয় দিয়েছে। তিনি বলেছেন যেন তোমরা মুত্তাকী (২য় সূরা বাকারা, আয়াত ২১, ১৮৩), কৃতজ্ঞ (২য় সূরা বাকারা, আয়াত ৫২, ১৬ তম সূরা নাহল, আয়াত ৭৮), সঠিক পথপ্রাপ্ত (২য় সূরা বাকারা, আয়াত ৫৩, ৩য় সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১০৩), চিন্তা ভাবনাকারী (২য় সূরা বাকারা, আয়াত ২১৯, ২৬৬), বিচক্ষণ (১২ সূরা ইউসুফ, আয়াত ২, ৪৩ তম সূরা জুখরুফ, আয়াত ৩), সফল (৩য় সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১৩০, ২২ তম সূরা হজ্জ, আয়াত ৭৭), উপদেশ গ্রহণকারী  (২য় সূরা বাকারা, আয়াত ২২১, ১৬ তম সূরা নাহল, আয়াত ৯০), দয়া ও রহমতপ্রাপ্ত  (৬ষ্ঠ সূরা আনআম, আয়াত ১৫৫, ২৪ তম সূরা নুর, আয়াত ৫৬), 
আমাদের সেগুলো অর্জনের চেষ্টা করতে হবে।


আল কুর আনের সূরা গুলোর আয়াত ও ক্রম নিয়ে দারুন একটি বিশ্লেষণ। অবাক করার মত। আমরা জানি, আল কুরআনের মোট সূরা সংখ্যা ১১৪ টি। এর মধ্যে আয়াত সংখ্যা জোড় এমন সূরা ৫৪ টি, অন্যদিকে আয়াত সংখ্যা বিজোড় এমন সূরা ৬০ টি। আয়াত সংখ্যা জোড় এমন সূরা ৫৪ টির মধ্যে ক্রম জোড় এমন সূরা ১৭ টি এবং ক্রম বিজোড় এমন সূরার সংখ্যাও সমান ১৭ টি। 

অন্যদিকে আয়াত সংখ্যা বিজোড় এমন সূরা ৬০ টির মধ্যে ক্রম জোড় এমন সূরা ৩০ টি এবং ক্রম বিজোড় এমন সূরার সংখ্যাও ৩০ টি। 

আবার, আয়াত সংখ্যা জোড়+ক্রম জোড়, আয়াত সংখ্যা বিজোড়+ ক্রম বিজোড় এগুলোকে সমজাতীয় বলা হলে এমন সমজাতীয় সূরার সংখ্যা ৫৭ টি, অন্যদিকে আয়াত সংখ্যা জোড়+ক্রম বিজোড়, আয়াত সংখ্যা বিজোড়+ ক্রম জোড় এগুলোকে অসমজাতীয় বলা হলে এমন অসমজাতীয় সূরার সংখ্যাও ৫৭ টি। 

এখানেই শেষ নয়, আয়াত সংখ্যা+ক্রম এটা যোগ করলে যোগফল জোড় এমন সূরার সংখ্যা ৫৭ টি আবার অন্যদিকে আয়াত সংখ্যা+ক্রম এটা যোগ করলে যোগফল বিজোড় এমন সূরার সংখ্যাও ৫৭ টি এভাবে আল কুর আনে সূরার সংখ্যা, আয়াত সংখ্যা, ক্রম ইত্যাদি খুব সুন্দরভাবে গোছানো, বেশ অবাক করা তাইনা?

উপরের নোটের কিছু অংশ উস্তাদ নোমান আলী খান এর বিভিন্ন লেকচার এবং ইন্টারনেট থেকে কিছু ভিডিও, ছবি থেকে অনুপ্রানীত হয়ে সম্পাদনা করে গ্রহণ করা হয়েছে। কুরআন সম্পর্কে 
উস্তাদের দারুন বই কিনতে পারেন এই লিঙ্ক থেকেঃ রিভাইভ ইয়োর হার্ট ডিভাইন স্পিচ

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সূরাসমূহের নোট

১৮। সূরা আল কাহাফ (গুহা)

১। সূরা আল ফাতিহা (সূচনা)