সূরার মূল থীম হলো বিস্ময়কর বিষয়। তবে কুরআন বিস্ময়কর সব কিছু সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করে দিতে পারে তাই আধুনিক যুগের নতুন কোন বিস্ময়কর বিষয় সামনে এলে কুরআন যে সমাধান দিয়ে রেখেছে তাই সর্ব শ্রেষ্ঠ সেটা মনে প্রানে বিশ্বাস করে মেনে নিতে হবে। দাজ্জালের ফিতনা এই উম্মাতের উপর সবচাইতে বড় ফিতনা। এই দাজ্জালের ফিতনা থেকে বাঁচার জন্য সূরা আল কাহাফ বার বার পড়ার উপদেশ এসেছে। যেহেতু সবচাইতে বড় ফিতনার রক্ষাকবচ হিসাবে এই সূরাকে নির্ধারন করা হয়েছে সেহেতু বর্তমানে আমাদের সমাজে ঘটে যাওয়া অন্য যে কোন ফিতনা ঐ দাজ্জালের ফিতনা থেকে কম এটা স্বাভাবিক; আর যেহেতু দাজ্জালের ফিতনা থেকে বাঁচার জন্য সূরা আল কাহাফকে রক্ষাকবচ হিসাবে নির্ধারন করা হয়েছে সেহেতু আমাদের আশেপাশের সব ফিতনা থেকে বাঁচার জন্য এই সূরা অনেক কার্যকরী হবে এটাই লজিকাল। আর ৭ দিন পর পর এই সূরা পড়া, বোঝার মাধ্যমে একজন মুসলিম তার আশেপাশের ফিতনার মোকাবেলায় শক্তি পাবে এটাই আল্লাহ চান। আল্লাহ এই সূরার শুরুতে মহাবিশ্বের সবচেয়ে বড় সত্য এবং এই কিতাবের চূড়ান্ত, স্পষ্ট অবস্থানের বিশ্বব্যাপী ঘোষণা দিয়ে শুরু করেছেন। মানুষের আধুনিক, পোস্ট-মডার্নিজম (Post-...
সূরা আল ফাতিহা আল কুরআনের ১ম সূরা। এর নাম (সূচনা, প্রারম্ভিকা) থেকেই এটা বোঝা যায়। এটি নাযিলকৃত ১ম পূর্নাঙ্গ সূরা। নামাজে অন্য যেকোন সূরা পড়ার আগেও এটি পড়তে হয়। সুতরাং নামাজ পড়তে সূরা ফাতিহার মাধ্যমে অন্য সূরা বা আয়াতগুলো পড়তে হয়। কিছু মুফাসসির বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম কে আই সূরার ১ম আয়াত হিসাবে বিবেচনা করেন। বিসমিল্লাহ এর শাব্দিক অর্থ ‘আল্লাহর নামে’। এটা আসলে একটা অসম্পূর্ন বাক্য। এই বাক্য তখনই সম্পূর্ন হয় যখন এর পর কিছু বলা হয়/করা হয়। যেমন, আল্লাহর নামে.. খাওয়া শুরু করলাম। আল্লাহ ইচ্ছা করেই এমন অসম্পূর্ন বাক্য দিয়েছেন যেন আমরা তার নামেই সব কিছু শুরু করি এবং তার নাম সহকারেই যেন আমাদের সকল কাজ সম্পূর্ন হয়। কি অমূল্য আল্লাহর এই দান! বিসমিল্লাহ না বললে আসলে কিছুই সম্পুর্ন হয় না। আল্লাহর সম্পূর্ন বরকত পাওয়া যায় না। তবে আলহামদুলিল্লাহ...থেকে শুরু এই সূরা এমন মতামতই বেশি যুক্তিযুক্ত। এটা এমন একটি সূরা যার প্রতিটি আয়াতের জবাব আল্লাহ দেন। বান্দাহ যখন একটি আয়াত পড়ে, আল্লাহ সাথে সাথে সেই আয়াতের জবাব দিয়ে দেন। এই সূরা যেন বান্দাহ এর সাথে আল্লাহর সরাসরি যোগায...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন