৮। সূরা আল আনফাল
১ম আয়াতে বদরের যুদ্ধের গনিমতের মালামাল ভাগাভাগি নিয়ে জিজ্ঞেস করছিলেন কিছু সাহাবী। তখন আল্লাহ কিছুটা গম্ভীর হয়ে বলে দিলেন, গনীমতের মাল তো আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের। এরপর উপদেশ মূলক বক্তৃতা দিলেন। প্রকৃত মুমিনের পরিচয়, সংঘাতের উৎস, কারন, মুমিনদের প্রতি অত্যাচার, আল্লাহর সরাসরি সাহায্য ইত্যাদি পরবর্তি আয়াত গুলোতে বর্ননা করার পর ১ম আয়াতের পর ৪০ তম আয়াত অর্থাৎ ৪১তম আয়াতে আল্লাহ গনীমাতের মালের বন্টন পদ্ধতি বলে দিলেন। আর বোঝালেন, এই সংঘাত গনিমত এর মাল এর জন্য নয়। এটা এক্সট্রা। মূল হলো সত্যকে বিজয়ী করা। আল্লাহ বলেছেনঃ
৬৫ ও ৬৬ নং আয়াতে আল্লাহ বলছেনঃ ২০ জন ধৈর্য্যশীল বিজয়ী হবে ২০০ জনের উপর ১০০ জন ধৈর্য্যশীল বিজয়ী হবে ১০০০ জনের উপর অর্থাৎ ১>১০।
আবার দূর্বলতা থাকলে পরিস্থিতি হবে এমনঃ ১০০ জন ধৈর্য্যশীল বিজয়ী হবে ২০০ জনের উপর ১০০০ জন ধৈর্য্যশীল বিজয়ী হবে ২০০০ জনের উপর অর্থাৎ ১>২
২য় সূরা আল বাকারা, আয়াত ১৯৩ এ আল্লাহ বলেছেন, তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাও যে পর্যন্ত না ফিতনা খতম হয়ে যায় আর দ্বীন আল্লাহর জন্য হয়ে যায়। অতঃপর যদি তারা বিরত হয় তবে যালিমদের উপরে ছাড়া কোনও প্রকারের কঠোরতা অবলম্বন জায়িয হবে না। বদর যুদ্ধ এর আগে তুলনামূলক সহজ লক্ষ্য হিসাবে ফিতনা খতম আর দ্বীন আল্লাহর জন্য হওয়াকে নির্ধারন করা হয়। তাই এখানে শিক্ষা হলো; শুরুতে সহজ লক্ষ্য নিয়ে এগুলে লক্ষ্য অর্জনে মনোবল ঠিক থাকে।
অন্যদিকে ৮ম সূরা আল আনফাল, আয়াত ৩৯ এ তিনি বলেছেন, তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাও যে পর্যন্ত না ফিতনা খতম হয়ে যায় আর দ্বীন পুরোপুরিভাবে আল্লাহর জন্য হয়ে যায়। অতঃপর তারা যদি বিরত হয় তাহলে তারা যা করে আল্লাহ তার সম্যক দ্রষ্টা। বদর যুদ্ধ এর পরে তুলনামূলক কঠিন লক্ষ্য হিসাবে ফিতনা খতম আর দ্বীন পুরোপুরিভাবে আল্লাহর জন্য হওয়াকে নির্ধারন করা হয়। তাই এখানে শিক্ষা হলো; শুরুর সহজ লক্ষ্য অর্জিত হলে বৃহৎ লক্ষ্যে এগুতে হয়।
.jpg)

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন